Dhaka ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা সরন্জামাদি দিয়েছে টক্সিকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ টাঙ্গাইলের ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ব্যাপক হামলা ইসরাইলের পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন ৭ দিনের মধ্যে দেয়ার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬ তম জাতীয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান পাকিস্তান কে হারিয়ে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ৮ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা বাংলাদেশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে মুশফিকের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দেশজুড়ে পাঁচ দিন ঝড়-বৃষ্টির আভাস

আগামী দুই বছর ‘কঠিন’ হবে অনেকগুলো অজনপ্রিয় সিদ্ধান্তও নিতে হতে পারে :অর্থমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১১৫ সময় দেখুন

অনেক দলের তো ব্যাংকও আছে, তাই ঋণখেলাপি হওয়ার সুযোগ নাই বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আজ বৃহস্পতিবার আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছর কঠিন হবে। অনেকগুলো ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যেগুলো জনপ্রিয় না-ও হতে পারে। একটা কঠিন অবস্থা থেকে বের হতে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এসময় দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সহায়তা চেয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি একেবারে ‘লো লেভেল ইকুইলিব্রিয়ামে (স্থবির অবস্থায়)’ চলে গেছে। এখান থেকে তুলে আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।এখন দেশের অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, তা বোঝাতে বেশ কিছু ক্ষেত্রের সূচক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। বিএনপি সরকারের আগের আমলের সঙ্গে সেগুলো তুলনা করে দেখান।

আরও পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলের ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশের বেশি। যখন কোনো দেশে ৩০ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ হয়, তখন অর্থনীতির গতি ‘অলমোস্ট (প্রায়) থেমে যাওয়ার’ অবস্থায় চলে যায়। ২০০৫ সালে এটা (খেলাপি ঋণ) ছিল ১৩ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ব্যাপক হামলা ইসরাইলের

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লিডারশিপ (নেতৃত্ব) ঠিক আছে। আমাদের ক্যাপ্টেন ঠিক আছে। আমি মনে করি, ক্যাপ্টেনের ভিশন (লক্ষ্য) ঠিক আছে, ন্যায়নীতির অবস্থান থেকে কাজ করছেন, সততার অবস্থান থেকে কাজ করছেন। সুতরাং এখান থেকে আমরা খুব সহজে বের না হলেও আমরা বেরিয়ে আসতে পারবো। এটা কঠিন একটা কাজ। কিন্তু আমরা বেরিয়ে আসতে পারব এবং আপনাদের সবার সহযোগিতা দরকার।’

বিএনপির নেতাদের ঋণ পুনঃ তফসিলিকরণ নিয়ে বিরোধী দলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুনঃতফসিলিকরণ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ব্যাংকিং ব্যবস্থার শুরু থেকে এ ব্যবস্থা আছে, থাকবে। এটা বিএনপির আবিষ্কার নয়। ১৭ বছর বিএনপির কেউ ব্যবসা করতে পারেননি। অনেকের ঋণ অনুমোদিত ছিল কিন্তু দেওয়া হয়নি। যত ধরনের বাধা দেওয়া সম্ভব, সব করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা সরন্জামাদি দিয়েছে টক্সিকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির ব্যবসায়ীদের গ্যাস, বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতাদের যাদের খেলাপি বলা হচ্ছে, তারা বাড়িতে থাকতে পারেননি। অনেকে জেলে ছিলেন। অনেকের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

Tag :

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা সরন্জামাদি দিয়েছে টক্সিকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ

আগামী দুই বছর ‘কঠিন’ হবে অনেকগুলো অজনপ্রিয় সিদ্ধান্তও নিতে হতে পারে :অর্থমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৮:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

অনেক দলের তো ব্যাংকও আছে, তাই ঋণখেলাপি হওয়ার সুযোগ নাই বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আজ বৃহস্পতিবার আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছর কঠিন হবে। অনেকগুলো ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যেগুলো জনপ্রিয় না-ও হতে পারে। একটা কঠিন অবস্থা থেকে বের হতে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এসময় দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সহায়তা চেয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি একেবারে ‘লো লেভেল ইকুইলিব্রিয়ামে (স্থবির অবস্থায়)’ চলে গেছে। এখান থেকে তুলে আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।এখন দেশের অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, তা বোঝাতে বেশ কিছু ক্ষেত্রের সূচক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। বিএনপি সরকারের আগের আমলের সঙ্গে সেগুলো তুলনা করে দেখান।

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ব্যাপক হামলা ইসরাইলের

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশের বেশি। যখন কোনো দেশে ৩০ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ হয়, তখন অর্থনীতির গতি ‘অলমোস্ট (প্রায়) থেমে যাওয়ার’ অবস্থায় চলে যায়। ২০০৫ সালে এটা (খেলাপি ঋণ) ছিল ১৩ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলের ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লিডারশিপ (নেতৃত্ব) ঠিক আছে। আমাদের ক্যাপ্টেন ঠিক আছে। আমি মনে করি, ক্যাপ্টেনের ভিশন (লক্ষ্য) ঠিক আছে, ন্যায়নীতির অবস্থান থেকে কাজ করছেন, সততার অবস্থান থেকে কাজ করছেন। সুতরাং এখান থেকে আমরা খুব সহজে বের না হলেও আমরা বেরিয়ে আসতে পারবো। এটা কঠিন একটা কাজ। কিন্তু আমরা বেরিয়ে আসতে পারব এবং আপনাদের সবার সহযোগিতা দরকার।’

বিএনপির নেতাদের ঋণ পুনঃ তফসিলিকরণ নিয়ে বিরোধী দলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুনঃতফসিলিকরণ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ব্যাংকিং ব্যবস্থার শুরু থেকে এ ব্যবস্থা আছে, থাকবে। এটা বিএনপির আবিষ্কার নয়। ১৭ বছর বিএনপির কেউ ব্যবসা করতে পারেননি। অনেকের ঋণ অনুমোদিত ছিল কিন্তু দেওয়া হয়নি। যত ধরনের বাধা দেওয়া সম্ভব, সব করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা সরন্জামাদি দিয়েছে টক্সিকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির ব্যবসায়ীদের গ্যাস, বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতাদের যাদের খেলাপি বলা হচ্ছে, তারা বাড়িতে থাকতে পারেননি। অনেকে জেলে ছিলেন। অনেকের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।