Dhaka ১২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪ দক্ষিণ শাহবাজপুরে অর্ধশতাধিক এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের সংবর্ধনা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে অভিনেত্রী রিধিকার ‌‘আত্মহত্যা’ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় লাইসিয়াম স্কুলের পাশের হার ৯৮.১৪%। জিপিও ৫.০০ : ৩৩ জন ওয়াসিম ব্রিগেড কমিটি, বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বীমা গ্রাহকের আস্থা, নিরাপত্তা ও সাফল্যের ৪২ বছরে বীমা খাতে সবার শীর্ষে ন্যাশনাল লাইফ ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এক ঘণ্টায় দুই গ্রাহকের ৩৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করল ন্যাশনাল লাইফ
চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।” ছাত্রী সংস্থা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হামলা ও প্রক্টরকে লাঞ্চিত করার ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গত (৩১ আগস্ট ২০২৫) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী মুনজিয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল উম্মে আরওয়া বলেন,
“এই সহিংস ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চরম নিরাপত্তাহীনতার বহিঃপ্রকাশ এবং প্রশাসনের অকার্যকারিতার চাক্ষুষ প্রমাণ।”

নেত্রীবৃন্দ বলেন, “শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞান অর্জনের জন্য, কিন্তু চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।”
নেত্রীবৃন্দ আরও বলেন, “ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ব্যর্থতা চরমে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মেরুদণ্ডহীনতার পরিচয় দিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ”

বিবৃতিতে নেত্রীবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরবে, প্রক্টর পর্যন্ত নিরাপদ থাকবেন না—এটি পুরো দেশের জন্য কলঙ্কজনক। পুরো ঘটনার পেছনে উস্কানীদাতাদের এবং হামলাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ, প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্র ও প্রশাসন উভয়ের দায়িত্ব। আমরা আশা করি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্য কোন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা আর কখনো এমন রক্তাক্ত নৈরাজ্যের শিকার হবে না এবং তাদের নিরাপদ পরিবেশে অধ্যয়ন করার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।

মায়াসসালাম,
রিনতাহা তারান্নুম
প্রচার বিভাগীয় সম্পাদিকা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা
প্রতিবেদক: মোহাম্মদ জাকির হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার সুরমা দর্পণ।

Tag :

ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪

চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।” ছাত্রী সংস্থা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা

আপডেটের সময়: ০৯:১৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হামলা ও প্রক্টরকে লাঞ্চিত করার ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গত (৩১ আগস্ট ২০২৫) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী মুনজিয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল উম্মে আরওয়া বলেন,
“এই সহিংস ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চরম নিরাপত্তাহীনতার বহিঃপ্রকাশ এবং প্রশাসনের অকার্যকারিতার চাক্ষুষ প্রমাণ।”

নেত্রীবৃন্দ বলেন, “শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞান অর্জনের জন্য, কিন্তু চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।”
নেত্রীবৃন্দ আরও বলেন, “ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ব্যর্থতা চরমে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মেরুদণ্ডহীনতার পরিচয় দিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ”

বিবৃতিতে নেত্রীবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরবে, প্রক্টর পর্যন্ত নিরাপদ থাকবেন না—এটি পুরো দেশের জন্য কলঙ্কজনক। পুরো ঘটনার পেছনে উস্কানীদাতাদের এবং হামলাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ, প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্র ও প্রশাসন উভয়ের দায়িত্ব। আমরা আশা করি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্য কোন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা আর কখনো এমন রক্তাক্ত নৈরাজ্যের শিকার হবে না এবং তাদের নিরাপদ পরিবেশে অধ্যয়ন করার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।

মায়াসসালাম,
রিনতাহা তারান্নুম
প্রচার বিভাগীয় সম্পাদিকা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা
প্রতিবেদক: মোহাম্মদ জাকির হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার সুরমা দর্পণ।